কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় কাপড় জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট ও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা করা হয়েছে।
গতকাল রবিবার রাতে নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব কাপড় জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, অভিযানে নাগেশ্বরী উপজেলার দয়াময়ী পাইলট স্কুলসংলগ্ন ফজলুর রহমানের (ফজলু চেয়ারম্যান) বাড়ি এবং মোমিনগঞ্জ এলাকায় রিয়াজুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই দুটি স্থান থেকে মোট ২৬৮ পিস ভারতীয় প্যান্টের কাপড় জব্দ করা হয়। জব্দ করা প্রতিটি কাপড়ের দৈর্ঘ্য ১২ মিটার।
সে হিসাবে ২৬৮ পিস কাপড়ের মোট দৈর্ঘ্য ৩ হাজার ২১৬ মিটার। পুলিশের হিসাবে জব্দ করা এসব কাপড়ের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা।
পুলিশের দাবি, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে এসব ভারতীয় কাপড় দেশে আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দুটি পৃথক মামলা করা হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত দায়িত্বে নাগেশ্বরী সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুনতাসির মামুন মুন, নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক প্রধান এবং পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়।
ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, ‘কুড়িগ্রাম জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলাজুড়ে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় নাগেশ্বরীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই কাপড় জব্দ করা হয়েছে। জেলার প্রতিটি থানায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।