1. dainiksamantaral@gmail.com : দৈনিক সমান্তরাল : দৈনিক সমান্তরাল
  2. info@www.dainiksamantaral.com : দৈনিক সমান্তরাল :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে প্রিয়জনের লাশ নিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনা, গুরুতর আহত ৮ সোনাতলায় ছাত্রদল নেতা অর্ণবের নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ, যুবক আহত, মোটরসাইকেল ভাঙচুর পাঠাগারের প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া, সরকারি জমি দখলের অভিযোগ তিন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে বেনাপোলে বিজিবি’র অভিযানে চোরাচালানী মালামাল আটক আমতলীতে পিএম ইন্টারন্যাশনালের নিবন্ধিত ৭৪১ শিশুকে বই-খাতা রাখার র‌্যাক ও চেয়ার উপহার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ইঞ্জি. কাজী সাইমুম সিরাজের শুভেচ্ছা শ্রীপুরের সোনাতুন্দী গ্ৰামে পানিতে ডুবে ৮ বছরের শিশুর মৃত্যু । পাঁচবিবিতে মাসব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচি সফল করতে বাগজানা ইউনিয়ন যুব বিভাগের প্রস্তুতি সভা চিতলমারীতে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। পূর্বধলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, অভিযুক্ত পলাতক

নাসিরনগর-মাধবপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক চলাচলের অনুপযোগী, চরম জনভোগান্তি

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ অগাস্ট, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

খ ম জায়েদ হোসেন, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর-মাধবপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত, ভাঙন ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজ ঝুলে থাকায় সড়কটি এখন চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী, রোগী, নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বেহাল সড়কের কারণে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে রোগীবাহী গাড়ি, গর্ভবতী নারী ও জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, নাসিরনগর-মাধবপুর আঞ্চলিক সড়কটি মোট ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ। এর মধ্যে ৯ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর কার্যাদেশ দেওয়া হয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা। কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাসান এন্টারপ্রাইজ।
কার্যাদেশ অনুযায়ী, আগের ১২ ফুট প্রশস্ত সড়কটি ২২ ফুটে উন্নীত করার কথা। এর মধ্যে ১৬ ফুট ৫ ইঞ্চি পিচ ঢালাই এবং দুই পাশে তিন ফুট করে সোল্ডার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। কাজ শেষ করার সময়সীমা ছিল এক বছর ছয় মাস, যা গত ২৮ মে ২০২৫ তারিখে শেষ হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও পুরো কাজ শেষ হয়নি। এরই মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নাসিরনগর থেকে ফুলপুর পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার অংশে কাজ করা হলেও সড়কের বিভিন্ন স্থানে এখনও বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংস্কারকাজের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। নুরপুর, পাঠানিশা, চটিপাড়া, চৈয়ারকুড়ি, জেঠাগ্রাম, শ্যামপুর, পূর্বভাগ, বেলুয়া, নরহা, হরিণবেড় ও হরিপুর এলাকায় সড়কের অবস্থা সবচেয়ে বেশি নাজুক।
স্থানীয় বাসিন্দা মাসুম মিয়া বলেন, “আমাদের রাস্তার অবস্থা এতই খারাপ যে কোনো গর্ভবতী নারী এই রাস্তা দিয়ে গেলে হাসপাতালে পৌঁছানোই কঠিন। কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও ঠিকাদার কাজ শেষ করেননি।”
নাসিরনগর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল মোমেন বলেন, ঠিকাদারের ব্যর্থতার কারণে সড়কের সংস্কারকাজ বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। দ্রুতই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, নাসিরনগর-মাধবপুর সড়কের দুরবস্থার বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ হান্নান জাতীয় সংসদে তুলে ধরে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
এদিকে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা নাসরিন বলেন, “রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ। ঠিকাদার ধীরগতিতে কাজ করছেন। দ্রুত কাজটি সম্পন্ন করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, গত মার্চ-এপ্রিল মাসে বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় সড়কের দুরবস্থা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর সংস্কারকাজ শুরু হয়েছিল। এতে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসানের আশায় ছিলেন এলাকাবাসী। কিন্তু কিছুদিন পরই অজ্ঞাত কারণে আবার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সংস্কারের আশায় থাকা মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
দ্রুত সড়কটির সংস্কারকাজ পুনরায় শুরু করে নির্ধারিত মান ও সময় অনুযায়ী সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট