কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নিয়ে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নাজমুল ঠাকুরকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে নাজমুল ঠাকুর ভিডিওটির সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মানহানি করার উদ্দেশ্যে তার নামে একটি ‘ফেক ও অস্পষ্ট’ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এক বক্তব্যে নাজমুল ঠাকুর বলেন, “সম্প্রতি মানহানির উদ্দেশ্যে আমার নামে একটি ফেক ও অস্পষ্ট ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ভিডিওতে দাবি করা ব্যক্তি আমি নই।
তিনি আরও দাবি করেন, ইটনার কিছু অমীমাংসিত বিষয়ে তিনি জনস্বার্থ ও মানুষের কল্যাণে হস্তক্ষেপ করেছেন। তার ভাষ্য, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে একটি শ্রেণি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি সেই ষড়যন্ত্রের অংশ।
নাজমুল ঠাকুর জানান, ভিডিওটির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মেটাডাটা ও ফ্রেম-বাই-ফ্রেম বিশ্লেষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সঠিক তথ্য পাওয়ার জন্য ভিডিওটি সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, “শিগগিরই রিপোর্ট হাতে আসবে। সেই পর্যন্ত সবাইকে সঠিক তথ্যের জন্য অপেক্ষা করার অনুরোধ করছি।
এদিকে, দলীয় বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তিতে যে অভিযোগের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা এবং ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে ভিডিওটি আসল নাকি সম্পাদিত—তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চললেও, ভিডিওটির প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যেতে পারে।