মহানবী (সা.) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে মক্কা নগরীর অভিজাত কুরাইশ গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন।
আজ বুধবার, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। প্রসিদ্ধ মতানুসারে এই দিনে মহানবী (সা.) পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন এবং একই দিনে নবুয়তের মহান দায়িত্ব শেষ করে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছিলেন।
মহানবী (সা.) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে মক্কা নগরীর অভিজাত কুরাইশ গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন।
১২ রবিউল আউয়াল বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিমরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করবেন। এই উপলক্ষে বাংলাদেশে সাধারণ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দেশের বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত, আলোচনাসভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এতে মহানবী (সা.)-এর জীবন, আদর্শ, চরিত্র ও মানবতার জন্য তাঁর অবদান তুলে ধরা হবে।
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সারা বিশ্বের মুসলমানরা মহানবী (সা.)-এর জীবন ও সুন্নাহ অনুসরণের অঙ্গীকার করবে। তাঁর শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে শান্তি, ন্যায় ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় গ্রহণ করবে।
রাষ্ট্রপতির বাণী : পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণের আহবান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে সাম্য, সম্প্রীতি ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি। তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে বলেছেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানান।