আবু জিহাদ, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
সামগ্রিক কর্মদক্ষতা ও পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ টানা দ্বিতীয়বারের মতো বরগুনা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন।
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তাঁকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।একই সময়ে আমতলী থানার আরও ছয় পুলিশ সদস্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জেলার শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন। এতে থানার পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে।
জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন আমতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় কুমার দত্ত।এ ছাড়া জেলার শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শওকত হোসেন, জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন এসআই তানজিল আলম। একই সঙ্গে জেলার শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হারাধন চন্দ্র বাইন, এএসআই মো. জসিম উদ্দিন ও এএসআই মো. মাইনুল ইসলাম।
একই থানার সাতজন পুলিশ সদস্যের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন আমতলী থানা পুলিশের পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।অপরাধ দমন, মামলার তদন্ত, মাদক উদ্ধার এবং আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলসহ পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমে তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এ অর্জনকে বিবেচনা করা হচ্ছে।
টানা দ্বিতীয়বার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হওয়ায় মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন মো. ইয়াকুব হোসাইন। একই সঙ্গে এ স্বীকৃতির জন্য তিনি ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ অর্জনের কৃতিত্ব নিজের একার নয় উল্লেখ করে তিনি তাঁর সহকর্মীদের আন্তরিকতা, নিরলস পরিশ্রম, পেশাদারিত্ব ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন।আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো. ইয়াকুব হোসেন বলেন, সহকর্মীদের আন্তরিকতা ও সহযোগিতাই এ অর্জনের মূল শক্তি। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া এ স্বীকৃতি অর্জন সম্ভব হতো না। এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি আরও বলেন, সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসা নিয়ে ভবিষ্যতেও সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জনসেবায় নিয়োজিত থাকতে চান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।