নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বিশিষ্ট সমাজসেবী, শিক্ষানুরাগী ও মহৎ হৃদয়ের অধিকারী মরহুম আব্দুল মজিদের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২৯ আগস্ট। এ উপলক্ষে তাঁর নিজ বাড়িতে কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
মরহুম আব্দুল মজিদ ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী মরহুম হাছিম উদ্দিন মিয়ার পুত্র। ব্যক্তি জীবনে তিনি সহধর্মিণী, ৭ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে পরলোকগমন করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জীবদ্দশায় প্রায় ১৪ বছর ধরে তিনি এলাকার শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এলাকার মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।
তিনি উত্তর ঝুনাগাছ চাপানী বালিকা বিদ্যালয়, বিন্যাকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিন্যাকুড়ি এবতেদায়ী মাদ্রাসা, বিন্যাকুড়ি জামে মসজিদ ও বিন্যাকুড়ি কবরস্থানসহ বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
সমাজের উন্নয়নে তাঁর অসামান্য অবদানের কারণে মৃত্যুর ২২ বছর পরও তিনি ডিমলা উপজেলার অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে আছেন। তাঁর বাড়ি নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ৮ নম্বর ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, মরহুম আব্দুল মজিদ ছিলেন একজন সৎ, পরোপকারী ও সমাজহিতৈষী মানুষ। শিক্ষা, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য। তাঁর যুগোপযোগী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই এলাকার মানুষের কাছে ব্যাপক পরিচিতি ও সম্মান অর্জন করেন।
তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড আজও এলাকার মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে। তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ ও সমাজসেবার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন তাঁর দ্বিতীয় পুত্র মো. আমিনুর রহমান। তিনি বর্তমানে ৮ নম্বর ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মরহুম আব্দুল মজিদের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশ নিয়ে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।