নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ৮ নম্বর ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যপাড়া এলাকায় এক প্রবাসীর বসতবাড়িতে রাতের আঁধারে বেআইনিভাবে প্রবেশের অভিযোগ উঠেছে মো. হালিম ইসলাম টুরু নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত হালিম ইসলাম টুরু দীর্ঘ প্রায় সাত বছর ধরে ওই প্রবাসীর স্ত্রী মোছা. আমেনা বেগম (৩৩)-কে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত ও হয়রানি করে আসছিলেন। এ নিয়ে প্রায় সাত বছর আগে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশও হয়েছিল বলে দাবি পরিবারের।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মোছা. আমেনা বেগম এশার নামাজের জন্য অজু করতে গেলে অভিযুক্ত হালিম ইসলাম টুরু ওই বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার সময় মো. হবিবার রহমান বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। বাড়িতে প্রবেশের পর তিনি টিনের বেড়ায় শব্দ শুনতে পান। পরে শব্দের উৎসের দিকে এগিয়ে গেলে হালিম ইসলাম টুরুকে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, প্রবাসী স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ওই গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। সর্বশেষ গভীর রাতে বসতবাড়িতে অনুপ্রবেশের ঘটনায় পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানিয়েছেন তারা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. হালিম ইসলাম টুরুর বাবার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ছেলের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পাশাপাশি দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।