বগুড়া মহানগরের সাতমাথা এলাকায় ড্রেন থেকে ৩৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে কাদা-পানির মধ্যে গুলিগুলো দেখতে পেয়ে শ্রমিকেরা পুলিশকে খবর দেয়।
জানা গেছে, রবিবার বেলা ১২টার দিকে বগুড়া সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সাতমাথা এলাকায় ড্রেন সংস্কারের কাজ চলছিল। এ সময় শ্রমিকেরা কাদা-পানির মধ্যে গুলি দেখতে পান।
পরে বিষয়টি জানানো হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে বগুড়া সদর থানা পুলিশ গুলিগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, উদ্ধার হওয়া ৩৪০ রাউন্ড গুলির মধ্যে চায়নিজ রাইফেল, থ্রি-নট-থ্রি রাইফেল ও এসএমজির গুলি রয়েছে।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকালে বগুড়া সদর থানায় হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ওই সময় সদর থানার অস্ত্রাগার থেকে প্র…
: বগুড়ায় ড্রেন খুঁড়তে গিয়ে মিলল ৩৩৪ রাউন্ড এসএমজির গুলি
বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথায় সিটি কর্পোরেশনের ড্রেন পুনর্নির্মাণ কাজের সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩৩৪ রাউন্ড এসএমজি রাইফেলের গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে শহরের জিলা স্কুলের প্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় ড্রেনের তলদেশ থেকে মাটি খননকালে শ্রমিকরা এই গুলিগুলো দেখতে পান।
নির্মাণকাজের সাথে সংশ্লিষ্টরা জানান, সকালে শ্রমিকরা যখন জিলা স্কুলের প্রাচীরঘেঁষে ড্রেন নির্মাণের জন্য মাটি খুঁড়ছিলেন, তখন হঠাৎ করে মাটির নিচ থেকে বেশ কিছু গুলি বেরিয়ে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি নির্মাণ কাজের উপ-ঠিকাদার সিরাজকে জানানো হলে তিনি দ্রুত পুলিশকে খবর দেন। সংবাদ পেয়ে বগুড়া সদর থানার একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং গুলিগুলো উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
পরবর্তীতে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং উদ্ধারকৃত গুলির সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করেন। গণনায় দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া গুলিগুলো এসএমজি রাইফেলের এবং সেখানে মোট ৩৩৪ রাউন্ড গুলি ছিল। ড্রেন নির্মাণকাজের উপ-ঠিকাদার সিরাজ বলেন, “শ্রমিকরা মাটি কাটার সময় গুলিগুলো দেখতে পেয়ে আমাকে জানায়। আমি সাথে সাথেই পুলিশকে বিষয়টি জানাই।”
এই উদ্ধার অভিযানের বিষয়ে ওসি ইব্রাহীম আলী জানান, উদ্ধার করা ৩৩৪ রাউন্ড গুলি সদর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে এবং এ নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় বগুড়া সদর থানা থেকে লুণ্ঠিত হওয়া এসএমজি রাইফেলের গুলির সাথে এগুলোর মিল থাকতে পারে। তবে উদ্ধারকৃত গুলিগুলো কতদিনের পুরনো এবং সেগুলো বর্তমানে কার্যকর বা সচল কি না, তা বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেই নিশ্চিত হওয়া যাবে