আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন ঘিরে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে ভোটের হাওয়া। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় এখন একটাই আলোচনা—কে হচ্ছেন আগামী দিনের জনপ্রতিনিধি? নির্বাচনী এই ডামাডোলের মধ্যেই সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক আগ্রহ আর চাহিদার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তৃণমূলের পরীক্ষিত নেতা মোহাম্মদ আলী শেখ। দেশপ্রেম ও শৃঙ্খলার বার্তা নিয়ে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় এখন তিনি শীর্ষে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলনে রাজপথের সম্মুখ সারিতে দেখা গেছে তাঁকে। ছাত্ররাজনীতি দিয়ে শুরু, এরপর যখন যে দায়িত্ব পেয়েছেন, নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। তিনি একাধারে উপজেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি, কৃষক দলের তিনবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য। দলীয় পরিচয়ের বাইরেও শিক্ষিত, মার্জিত ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে এলাকায় তাঁর রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি। আর এ কারণেই সদর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাঁকেই নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাইছেন।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোহাম্মদ আলী শেখের রাজনৈতিক পথচলা মোটেও মসৃণ ছিল না। আদর্শের প্রশ্নে বরাবরই আপসহীন থাকায় নানা সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। একাধিক মামলার আসামি হয়েও তিনি লক্ষ্যভ্রষ্ট হননি। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় ইতিমধ্যে বেকসুর খালাস পেয়েছেন, বাকিগুলো এখনো বিচারাধীন। এত হামলা-মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েও নিজের নীতি থেকে একচুলও সরে না দাঁড়ানোয় সাধারণ মানুষের মনে তাঁর প্রতি গভীর আস্থার জন্ম নিয়েছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সদর ইউনিয়নে মোহাম্মদ আলীর মতো একজন শিক্ষিত, ত্যাগী ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির জনপ্রতিনিধি পাওয়া সময়ের দাবি বলে মনে করেন সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। ভোটারদের এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও সমর্থনই আগামী নির্বাচনে তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সব বাধা পেরিয়ে আগামী দিনে সাধারণ মানুষের কল্যাণে আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাবেন এই জননেতা।