সরকার ও বিরোধী দল ক্রমেই এমন এক দৃষ্টিকটু বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে, যা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জনমনে উদ্বেগ তৈরি করছে। সংস্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয়—এ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু মতপার্থক্য যেন রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণ না হয়ে দাঁড়ায়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
সংস্কারের প্রশ্নে অযথা সময়ক্ষেপণ না করে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে দ্রুত অর্থবহ সংলাপ শুরু করা এখন সময়ের দাবি। আলোচনার টেবিলেই মতভেদ দূর করার পথ খুঁজতে হবে। কারণ রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক সংঘাত যত বাড়বে, তার প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ওপর।
বিশেষ করে অর্থনীতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে যদি নতুন করে চাপ তৈরি হয়, তার সঙ্গে রাজনৈতিক অস্থিরতা যুক্ত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হবে সাধারণ মানুষ।
রাজনীতিতে জয়-পরাজয়ের চেয়ে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের স্বার্থ বড়। তাই সরকার ও বিরোধী—উভয় পক্ষকেই সংযম, দায়িত্বশীলতা ও দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে হবে।
সংঘাত নয়, সংলাপই হোক সমাধানের পথ। এখনই সময় রাজনৈতিক সমঝোতার।