বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে পানগুছি নদীর জনগুরুত্বপূর্ণ সন্ন্যাসী-কলারন ফেরিঘাটটি পতিত ঘোষণা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে ফেরি সার্ভিসটি চালু করা হয়েছিল। সেই কারণেই আওয়ামী লীগ সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এ রুটটি পতিত ঘোষণা করেছিল বলে তিনি মনে করেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার পল্লীমঙ্গল থেকে সন্ন্যাসী লঞ্চঘাট পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ এবং পানগুছি নদীর সন্ন্যাসী অংশে ফেরিঘাট নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম বলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মাসুদ সাঈদী ও তিনি সংসদ সদস্য হওয়ার আগেই বিশিষ্টজনদের পরামর্শে এবং স্থানীয় মানুষের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হয়। এ কাজ বাস্তবায়নে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে প্রয়াত সেলিম মিয়াও এ বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় পরে তাঁরা হস্তক্ষেপ করেন। এর ফলে কাজটি দৃশ্যমান হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সড়ক ও ফেরিঘাট নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে বরিশাল বিভাগের সঙ্গে বাগেরহাটের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হবে। নদীর দুই পাড়ের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও যাতায়াতে সুবিধা হবে। পাশাপাশি এ পথ ব্যবহার করে মোংলা বন্দর পর্যন্ত যাতায়াতও সহজ হবে। সব মিলিয়ে এ সড়ক ও ফেরিঘাট এলাকার মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।
এ সময় বাগেরহাট সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল ইসলাম, মোরেলগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাহাদাৎ হোসাইন, জামায়াত নেতা অধ্যাপক শহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।