মো: জুয়েল রানা, স্টাফ রিপোর্টার:
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতাকে ঘিরে বাড়ছে তৎপরতা, সমর্থকদের দাবি—ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন জাফরিন পাশা।
রাজপথের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে মহেশপুরের মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়নে পরিচিতি পেয়েছেন এস এম হোসেন জাফরিন পাশা। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ নম্বর মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় রাজনীতিতে জাফরিন পাশার সম্পৃক্ততার তথ্য বিভিন্ন সময়ের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর সক্রিয়তার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমান তিনি মহেশপুর উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক ও মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়ন বি এন পির সদস্য।
সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনসেবা ও দলীয় নেতাকর্মীদের আহ্বানে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছেন জাফরিন পাশা। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগও বাড়াচ্ছেন তিনি।
তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের রাজপথের ভূমিকা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তাঁর প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, মান্দারবাড়িয়ার “বেশির ভাগ মানুষ” তাঁকে আগামী দিনের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান।
নির্বাচন সামনে রেখে এখন জাফরিন পাশার প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, রাজপথের ভূমিকা এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের যোগাযোগ। পাশাপাশি ইউনিয়নের উন্নয়ন, নাগরিক সেবা ও মানুষের প্রত্যাশা নিয়ে তাঁর সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনাও ভোটারদের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
মান্দারবাড়িয়ায় নির্বাচনী তৎপরতা যত বাড়ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থান। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরই অবশ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার পূর্ণ চিত্র পরিষ্কার হবে।